রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
সিসিটিভি প্রমাণে তুহিন হত্যার রহস্য উন্মোচিত হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার ড. মো. নাজমুল করিম খান জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে সাংবাদিক তুহিন হত্যা মামলায় সরাসরি আটজনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। এর মধ্যে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (৯ আগস্ট) গাজীপুর মেট্রোপলিটনে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান তিনি।
জিএমপি কমিশনার বলেন, গোলাপির হানিট্রাপে পড়ে ব্যাংক থেকে টাকা তুলছিলেন বাদশাহ। তিনি বাগবিতণ্ডায় জড়ালে সাংবাদিক তুহিন সেটি ভিডিও করে ফেলেন। আসামিরা ভিডিও মুছে না দেওয়ায় তাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।
তিনি বলেন, আসামিরা স্বীকার না করলেও সিসিটিভি ও অন্যান্য এভিডেন্স তাদের অপরাধ প্রমাণ করবে।
যথাযথ নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থতার জন্য সাংবাদিক সমাজের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি এবং নিহত তুহিনের পরিবারকে সমবেদনা জানান।
তিনি আরও বলেন, পুলিশ সদস্যদের স্বল্পতার কারণে গাজীপুর মেট্রোপলিটনে অপরাধ দমন কঠিন হয়ে পড়েছে। ৫ আগস্টের পর অনেক কারখানা বন্ধ থাকায় কর্মসংস্থান কমে অপরাধ বেড়ে গেছে, যা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এদিকে, গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার আসামি স্বাধীন।
শনিবার সকালে গাজীপুরের পোড়াবাড়ি ক্যাম্পে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে কোম্পানি কমান্ডার কে এম এ মামুন খান চিশতী জানান, স্বাধীনকে মহানগরীর শিববাড়ি এলাকা থেকে তথ্য-প্রযুক্তি ও সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর স্বাধীন ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, তুহিন কাজের সময় একজন নারীর সঙ্গে বাদশার কথা কাটাকাটির সময় বাদশা তাকে থাপ্পড় দিলে স্বাধীনসহ অন্য আসামিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তুহিনকে আঘাত করে। তুহিন ভিডিও করলে আসামিরা তাকে চাপাতি দিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়।